কবুতরের খাদ্য ( feeds )
কবুতর সাধারণত গম, ভুট্টা, চাল, কাউন, যব, কলাই, খেসারি, সরিষা ইত্যাদি শস্যদানা খেয়ে থাকে । ঘরের সামনে পাত্রে খাদ্য রেখে দিলে খেয়ে নেয় । স্বাস্থ্য রক্ষা, দৈহিক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনের জন্য এদেরকে সুষম খাদ্য দেওয়ার প্রয়োজন । মুরগির জন্য তৈরি সুষম খাদ্য কবুতরকেও দেওয়া যেতে পারে । কবুতরের খাদ্য ১৫-১৬% আমিষ থাকা প্রয়োজন । প্রতিটি কবুতর দৈনিক ৩৫-৬০ গ্রাম দানাদার খাদ্য খেয়ে থাকে । কবুতরের বাচ্চার দ্রুত বৃদ্ধি এবং বয়স্ক কবুতরের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যর জন্য ঝিনুক চূর্ণ , চুনাপাথর , কাঠ কয়লা চূর্ণ, হাড়ের গুড়া ও লবণ দিয়ে গ্রিট মিকচার বা খনিজ মিশ্রিত তৈরি করে খেতে দিতে হয় । এছাড়া প্রতিদিন কিছু কাঁচা শাকসবজি কবুতরকে খেতে দেওয়া প্রয়োজন ।
কবুতর সাধারণত গম, ভুট্টা, চাল, কাউন, যব, কলাই, খেসারি, সরিষা ইত্যাদি শস্যদানা খেয়ে থাকে । ঘরের সামনে পাত্রে খাদ্য রেখে দিলে খেয়ে নেয় । স্বাস্থ্য রক্ষা, দৈহিক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনের জন্য এদেরকে সুষম খাদ্য দেওয়ার প্রয়োজন । মুরগির জন্য তৈরি সুষম খাদ্য কবুতরকেও দেওয়া যেতে পারে । কবুতরের খাদ্য ১৫-১৬% আমিষ থাকা প্রয়োজন । প্রতিটি কবুতর দৈনিক ৩৫-৬০ গ্রাম দানাদার খাদ্য খেয়ে থাকে । কবুতরের বাচ্চার দ্রুত বৃদ্ধি এবং বয়স্ক কবুতরের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যর জন্য ঝিনুক চূর্ণ , চুনাপাথর , কাঠ কয়লা চূর্ণ, হাড়ের গুড়া ও লবণ দিয়ে গ্রিট মিকচার বা খনিজ মিশ্রিত তৈরি করে খেতে দিতে হয় । এছাড়া প্রতিদিন কিছু কাঁচা শাকসবজি কবুতরকে খেতে দেওয়া প্রয়োজন ।
কবুতরের সুষম খাদ্য তালিকার নমুনাঃ
কবুতরের বাচ্চার খাদ্য ও খাদ্য গ্রহণ
বচ্চার বয়স ২৮ দিন না হওয়া পর্যন্ত নিজেরা ঠোঁট দিয়ে কোন খাদ্য দানা গ্রহণ করতে পারে না । এর আগে পায়রা- পায়রি নিজেরা খাবার খেতে তা বাচ্চাদের ঠোঁট ঠোঁট রেখে খাইয়ে দেয় । বাচ্চাদের জন্য প্রথম সপ্তাহে কোন বাড়তি খাবার সরবরাহও প্রয়োজন হয় না । স্ত্রী ও পুরুষ উভয় কবুতরের খাদথলিতে তৈরি দুধ জাতীয় বস্তু খেয়ে এ সময়ে বাচ্চারা বাড়তে থাকে । এ দুধ কবুতরের দুধ নামা পরিচিত । ১৪ দিন পর্যন্ত উচ্চ আমিষ সম্পন্ন ( ১৭.৫% ) পিজিয়ন মিল্প মিশ্রিত খাদ্য সরবরাহও পেয়ে স্কোয়াব বা বাচ্চা দ্রুত বেড়ে উঠে । ২৮ দিন পর বাচ্চার পাখা গজায়, এরা উড়তে শেখে এবং ঠোঁটের সাহায্য নিজের খাদ্য নিজে খেতে পারে ।
পানি (WATER )
কবুতরের জন্য ঘরের কাছাকাছি মাটির গামলা বা পাত্রে পানির ব্যবস্থা রাখতে হয় । সারাদিন এ পাত্র থেকে এরা পানি পান করবে এবং সময় সময় গোসল করবে । প্রতিদিন গামলা বা পাত্র পরিস্কার করে পরিস্কার পানি দিতে হবে । পাত্রে তিন চতুর্থাংশ পানি দিয়ে ভরে রাখতে হবে ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন